Home / অন্যান্য / এবার ফিলি-স্তি-নে নতুন টা-র্গে-ট ইসরাইলের!

এবার ফিলি-স্তি-নে নতুন টা-র্গে-ট ইসরাইলের!

ফিলিস্তিনে ১১ দিনের র’ক্ত’ক্ষ’য়ী সং’ঘা’তের পর এবার টার্গেট কি’লিং মি’শ’ন চা’লাচ্ছে ইস’রাই’লের ছদ্মবেশী এ’লিট স্পেশাল ফো’র্স ‘মুসতারিবিন।

’ টার্গেট করা হচ্ছে মূলত ফি’লিস্তি’নি প্রতিরোধ আন্দো’লনের সদস্যদের। এরপর উঠিয়ে নিয়ে নি’র্ম’মভাবে হ’ত্যা ক’রা হ’চ্ছে।

এলিট বাহিনীর সর্বশেষ টার্গেট কি’লিং’য়ের শি’কার হ’য়েছেন পশ্চিম তী’রের আল-আমারি রি’ফিউ’জি ক্যাম্পের ২৪ বছর বয়সি যুবক আহ’মেদ জামিল ফাহদ।

ফাহাদের পরিবার জানায়, ইস’রাই’লের একদল ছ’দ্মবে’শী এজেন্ট তাকে আ’টক করে নিয়ে যায়।

এরপর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাকে পেছন থেকে বেশ কয়েকটি গু’লি ক’রা হয়। গু’লি ক’রার পর তা’কে রা’মা’ল্লার উম-আল শারা’য়িত এলাকায় ফে’লে রাখা হয়। প্রচুর র’ক্ত’ক্ষ’রণ হয় তার। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মা’রা যান ফাহাদ।

আলজাজিরা জানিয়েছে, যু’দ্ধ’বির’তির পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিং’কেনের ইস’রাই’ল স’ফরের কয়েক ঘণ্টা আগে পশ্চিম তীরের রামা’ল্লা শহ’রের আল-আমারি রিফিউজি ক্যাম্পের ছেলে আহমেদ ফাহাদকে গু’লি হ’ত্যা ক’রে ই’সরাই’লি বা’হিনী।

ফা’হাদের এই নি’র্ম’ম হ’ত্যা’কা’ণ্ডে’র পে’ছনে রয়েছে ইস’রাই’লের ছদ্ম’বেশী এলিট স্পে’শাল ফোর্স ‘মুস’তারিবিন’ ই’উনিটের সদ’স্যরা।

এই ইউ’নিটটি প্রশিক্ষিত ইস’রা’ইলি সে’নাদের মাধ্যমে গঠি’ত। ছদ্ম’বেশে সাধারণ ফি’লিস্তি’নি পশ্চিম তীরে বি’চরণ করে।

মোহাম্মদ দেফ: হামাসের রহস্যময় সামরিক প্রধানকে খুঁজে হয়রান ইসরায়েল

হামাসের দুর্ধর্ষ অধিনায়ক মোহাম্মদ দেফ: ইসরায়েলের চোখ ফাঁকি দিয়ে বহু দশক ধরে গাযায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ মাসে এক ফিলিস্তিনি চরমপন্থী নেতার পাঠানো একটি অস্পষ্ট অডিও রেকর্ডিং-এ ইসরায়েলকে অশুভ পরিণতির হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছিল।

এতে বলা হয়েছিল, হামাসের দাবি মানা না হলে ইসরায়েলকে “চরম মূল্য” দিতে হবে।

ফিলিস্তিনি অঞ্চল গাযা নিয়ন্ত্রণ করে মূলত হামাস।

এই অডিও রেকর্ডিংটি ছিল হামাসের সামরিক শাখার নেতা মোহাম্মদ দেফের, যাকে ইসরায়েলিরা কোনভাবেই ধরতে পারছে না।

ইসরায়েলের ফেরারি তালিকায় মোহাম্মদ দেফের নাম সবার উপরে। গত সাত বছরের মধ্যে এই প্রথম তার কোন কথা শোনা গেছে।

মোহাম্মদ দেফের এই হুঁশিয়ারিকে ইসরায়েলিরা পাত্তা দেয়নি। এরপর ইসরায়েল এবং গাযার মধ্যে ১১ দিন ধরে চলেছে লড়াই, যার অবসান ঘটেছে এক যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে।

জাতিসংঘের হিসেবে গত ১০মে হতে ২১মে পর্যন্ত এই লড়াইয়ে গাযায় অন্তত ২৪২ জন নিহত হয়। আর ইসরায়েলে মারা যায় ১৩ জন।

জাতিসংঘ বলছে, গাযায় নিহতদের মধ্যে ১২৯ জনই হচ্ছে বেসামরিক মানুষ। তবে ইসরায়েলের দাবি নিহতদের মধ্যে দুশ জনই ছিল জঙ্গি।

গাযায় হামাসের নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার অবশ্য বলেছেন লড়াইয়ে তাদের ৮০ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েল এই লড়াইয়ের সময় মোহাম্মদ দেফকেও হত্যার চেষ্টা করে, কিন্তু তাকে হত্যা করা যায়নি।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র হিডাই যিলবারম্যান নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, “এই পুরো অভিযান চলার সময় আমরা মোহাম্মদ দেফকে হত্যার চেষ্টা করেছি।”

আইডিএফের কর্মকর্তারা বিবিসির কাছে নিশ্চিত করেছেন যে, মোহাম্মদ দেফকে হত্যার জন্য অন্তত দুটি চেষ্টা চালানো হয়।

কিন্তু এবারও ইসরায়েলিদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়, মোহাম্মদ দেফ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। বলা হচ্ছে, গত দুই দশকে ইসরায়েল এ নিয়ে মোহাম্মদ দেফকে হত্যার জন্য সাতবার বিফল চেষ্টা চালিয়েছে।

মোহাম্মদ দেফকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ইঁদুর-বেড়াল খেলা নিয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হতাশ। সর্বশেষ লড়াইয়ের সময়েও তাদের লক্ষ্য ছিল হামাসের সব শীর্ষ সামরিক অধিনায়ককে হত্যা করা।

মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ম্যাথিউ লেভিট বলেন, “এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে, হামাসের সামরিক সক্ষমতার পেছনে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে,

তাদের একটা তালিকা ইসরায়েলের কাছে আছে, এবং এই তালিকায় সবার উপরে আছে মোহাম্মদ দেফ।”

About admin

Check Also

মৎস্যকন্যা রহ’স্য, সত্যিই কি তাদের অস্তিত্ব আছে?

সাহিত্য-সিনেমা থেকে শুরু করে লোকজ সংস্কৃতিতে উপস্থিত ‘মৎসকন্যা’ নিয়ে কখনো কি ভেবেছেন? শ’রীরের উপরিভাগ না’রীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *