Home / লাইফস্টাইল / আপনার হাতে ৫ টাকার পুরোনো নোট কিংবা কয়েন থাকলে, লাখ টাকার মালিক হবেন

আপনার হাতে ৫ টাকার পুরোনো নোট কিংবা কয়েন থাকলে, লাখ টাকার মালিক হবেন

বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পুরনো জিনিসপত্র বিক্রি করে বহু মানুষ কোটিপতি হয়েছেন।পুরনো জিনিস বিক্রি করে কিভাবে কোটিপতি হওয়া যায় নিশ্চয়ই প্রশ্নটিই মনের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে?

তাহলে জেনে নিন, জিনিস যখন পুরনো হয়ে যায়, তখন সেই সব জিনিস অ্যান্টিক বিভাগের মধ্যে পড়ে।

আন্তর্জাতিক বাজারে এগু’লির অনেকটাই বেড়ে যায়।বর্তমানে ই-কমার্স ওয়েবসাইট মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে বহু সুযোগ। আপনার কাছে যদি পুরনো কিছু টাকা-পয়সা থাকে, তাহলে সেগু’লি আপনি বিক্রি করে হয়ে যেতে পারেন কোটিপতি।

ধরুন আপনার কাছে এমন কিছু পুরনো কয়েন রয়েছে যাতে বৈষ্ণোদেবী র ছবি রয়েছে, তাহলে সেই পুরনো কয়েন গু’লি দিয়ে আপনি ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

সম্প্রতি একটি বেস’রকারি খবরে এমন একটি ব্যক্তির নাম প্রকাশিত হয়েছে, যিনি ১০০ টাকার পুরনো নোট বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করেছেন।

আপনি যদি পুরনো জিনিস কালেক্ট করার প্রতি ী হন, তাহলে অবিলম্বে এই সব কাজে লাগিয়ে হয়ে যান কোটিপতি।

যাদের কাছে বৈষ্ণোদেবী ছবি খোদাই করা ৫ টাকার মুদ্রা রয়েছে, তারা সে গু’লি বিড করার জন্য রেখে দিতে পারেন।

যারা পুরনো জিনিস সংগ্রহ করেন, তারা আপনার কাছ থেকে এটা কিনে নিবেন। এই মুদ্রাগু’লি ৫ টাকা এবং ১০ টাকার হবে। ২০০২ সালে স’রকারি মুদ্রা জারি করেছিল।

যেহেতু এই মুদ্রা গু’লিতে দেবী বৈষ্ণোদেবী র ছবি রয়েছে, তাই এগু’লিকে খুব শুভ বলে মনে করা হয়।অনেকেই এই রকম মুদ্রা নিজেদের কাছে রেখে দিতে চান।

তাই বহু মানুষ এই মুদ্রা কিনে নিজের কাছে রাখার জন্য যোগাযোগ করবেন আপনার ে। এছাড়াও ৭৮৬ সিরিজের নোটগুলো খুব রয়েছে।

এইরকম নোট গু’লিকে সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে মনে করা হয়।মু’সলিম সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে এই নোট কেনার প্রতি একটি আছে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী,আপনি যদি ইন্ডিয়ামার্ট অথবা ওএলএক্স এ এগুলো বিক্রি করতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজে বড়লোক হয়ে যেতে পারেন। এই সমস্ত সাইটগুলোতে নোট নিলামে র সুবিধা রয়েছে।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *