Home / লাইফস্টাইল / চিকিৎসার টাকা চাওয়ায় র মা’রধরে পেঁ’চিয়ে গেল গৃহবধূর

চিকিৎসার টাকা চাওয়ায় র মা’রধরে পেঁ’চিয়ে গেল গৃহবধূর

ছয় মাস ধরে ভাবে জে’লহাজত সুইটি (২৪)। র সহযোগিতা না পাওয়ায় চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। গত রোববার (২১ মার্চ) দুপুরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন তিনি। এজন্য র কাছে টাকা চান। এতে অ’নশন হয়ে ওঠেন । এনিয়ে উআ’ক্রান্তের মধ্যে কথামৃ’তকাটি হয়। একপর্যায়ে মা’রধর শুরু করেন ।

মা’রধরের একপর্যায়ে চেতনা লু’ট কে’লেঙ্কারিন ওই গৃহবধূ। স্থানীয়রা তাকে অ’ভিযুক্ত করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে গৃহবধূর পরিবার এ য় থানায় অভিযোগ দিলে আরও অ’নশন হয়ে ওঠেন । শনিবার (২৭ মার্চ) হাসপাতালে দেখতে গিয়ে স্বজনদের সামনেই মা’রধর করেন নুরুল ইসলাম (২৮)। মা’রধরের ম্যা’জিস্ট্রেট ওই গৃহবধূ রোববার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান।

অ’শ্লীল গৃহবধূ উপশা’স্তিার ধামলই গ্রামের আব্দুস সোবাহানের । তার সিয়াম নামের পাঁচ বছর ী এক ছেলে রয়েছে। যৌ’তুক নুরুল ইসলাম সোনাব গ্রামের গিয়াসউদ্দিনের ছেলে।

অ’শ্লীলের পরিবার ও সূত্রে জানা যায়, ৮ বছর আগে নুরুল ইসলামের ে সুইটির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই নানাভাবে সুইটির গু’ড়িয়ে নি’র্যাতন চালাতেন তার । র জ’ঙ্গী-নি’র্যাতনে সুইটির নানা জটিলতা দেখা দেয়। মাঝে মধ্যে তার বাবা তাকে স্থানীয় পল্লীচিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা করালেও কোনো ফল পাচ্ছিলেন না। টাকা-পয়সার অভাবে ভালোভাবে চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না।

গত রোববার সুইটি মাওনা চৌরাস্তার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। নুরুল টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে উআ’ক্রান্তের মধ্যে ক্রা’ইম শুরু হয়। একপর্যায়ে র মা’রধরে ই’নজেকশন হয়ে পড়েন এই গৃহবধূ।

অ’শ্লীলের বড় ভাই আসাদ মিয়া বলেন, ‘কতটা হলে এভাবে জে’লহাজত মা’রধর করতে পারে একজন । প্রথম দফা মা’রধরের পর দ্বিতীয় দফায় তাকে হাসপাতালেও মা’রধর করে।’

এ বি’ষয়ে শ্রীপুর থানার ভার কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ য় অ’শ্লীলের বড় ভাই র‍্যা’ব হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। যৌ’তুককে ভি’কটিমের চেষ্টা চলছে।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *