Home / লাইফস্টাইল / ডিভোর্স হয়ে গেল মাহিয়া মাহির, ক্ষমা চাইলেন শ্বশুর বাড়ির কাছে

ডিভোর্স হয়ে গেল মাহিয়া মাহির, ক্ষমা চাইলেন শ্বশুর বাড়ির কাছে

অনেকদিন যাবতই শোনা যাচ্ছিল চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সংসার ভাঙনের গুঞ্জন। বেশ কয়েকবার এই অভিনেত্রীর মন্তব্য ও ফেসবুক স্ট্যাটাসেও বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছিল ভক্তরা।

বিচ্ছেদের বিষয়টি এতদিন শুধু গুঞ্জন হিসেবে থাকলেও জানা যায়, সত্যি সত্যি ডিভোর্স হয়ে গেছে জনপ্রিয় এ তারকার।

শনিবার রাত দেড়টার দিকে মাহি তার ফেসবুক পোস্টে ডিভোর্সের ইঙ্গিত দিয়ে জানিয়েছেন, এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সাথে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা।

শ্বশুরবাড়ির প্রসঙ্গ টেনে তিনি লিখেছেন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শ্বশুর বাড়ির মানুষগুলোকে আর কাছ থেকে না দেখতে পাওয়াটা, বাবার মুখ থেকে মা জননী, বড় বাবার মুখ থেকে সুনাম শোনার অধিকার হারিয়ে ফেলাটা সবচেয়ে বড় অপারগতা। ক্ষমা চেয়ে মাহি লিখেছেন, আমাকে মাফ করে দিও। তোমরা ভালো থেকো। আমি তোমাদের আজীবন মিস করবো।

তবে ঠিক কি কারণে সংসার টিকলো না তা স্পষ্ট করে জানাননি মাহি। শুধু জানিয়েছেন, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের ইতি টানছেন। মাহি বলেন, এর বেশি কিছু জানাতে চাই না৷

গেল ক’দিন ধরেই মাহি নিজের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে মনের ভেতরে চলা যুদ্ধের নানাবিধ বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। ১৬ মে লিখেছেন- ‘এরপরও আমরা দুজন মুখোমুখি হবো,

কেউ কারও দিকে না তাকিয়েও পেট ভরে দু’জন দু’জনকে দেখবো, ঘ্রাণ নেবো, স্পর্শ করবো।’ ১২ মে অপুর সঙ্গে দু’টি ঘনিষ্ঠ ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন- ‘গত ৮৬৪০০ মিনিট ধরে ভাবছি তোমাকে নিয়ে গুনে গুনে ৫১টা লাইন লিখবো। কিন্তু কিভাবে যে লিখবো,

ঠিক কোত্থেকে শুরু করবো সেটাই ভেবে পাচ্ছিনা। আচ্ছা আমি কি আর কোনোদিন গুছিয়ে কথা বলাটা শিখবো না তাইনা? তুমি তো আমাকে কিছুই শিখাতে পারলা না, এটাকি ঠিক?’

২০১৬ সালের ২৪ মে মাহিয়া মাহির হয় সিলেটের মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে। দুই পরিবারের সম্মতি থাকলেও হুট করে বিয়ে হয়। তবে দাম্পত্য জীবনের পাঁচ বছরের মাথায় মাহি তার বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করলেন।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *