Home / লাইফস্টাইল / তোমায় ছেড়ে এতোদিন থাকতে হবে কোনোদিন ভাবিনি: শুভশ্রী

তোমায় ছেড়ে এতোদিন থাকতে হবে কোনোদিন ভাবিনি: শুভশ্রী

ছেলে ইউভানকে নিয়ে সু’খময় সময় কাটছিল টালিউড অভিনেত্রী শুভশ্রীর। মাতৃত্বকে উপভোগ করছিলেন নায়িকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেটির প্রকাশও করছিলেন। মুটিয়ে যাওয়া নিয়ে লোকের কটুকথাও গায়ে মাখতে রাজি শুভশ্রী,

ছেলের দিকে তাকিয়ে। একটি সংবাদ সবকিছু ত’ছনছ করে দিয়েছে শুভশ্রীর জীবনে। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক’রোনাভা’ইরাসেে আ’ক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ক’রোনা টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই আইসোলেশনে চলে যান শুভশ্রী। যার ফলে সাত মাসের ছেলেকে কোল ছাড়া করতে হয়েছে টালিউড নায়িকার।

একই ছাদের নিচে থেকেও চোখের দেখা দেখতে পাচ্ছেন না ইউভানকে। এ কারণে খুব মন খা’রাপ শুভশ্রীর।বুধবার ইনস্টাগ্রামে ইউভানের একটা ছবি পোস্ট করে শুভশ্রী লিখেছেন, ‘তোমায় ছেড়ে এতোদিন থাকতে হবে কোনোদিন ভাবিনি।’

পাশাপাশি নিজের শা’রীরিক অবস্থার আপডেট ভক্তদের জানিয়ে শুভশ্রী লিখেছেন, ‘আগের চেয়ে অনেকখানি সুস্থবোধ করছি।’করোনা আ’ক্রান্ত শুভশ্রী যেতে পারছেন না ছেলের কাছে। অন্যদিকে, ভোট নিয়ে ব্যস্ত রাজ চ’ক্রবর্তী এখন রয়েছেন ব্যারাকপুরে।

তাই আপতত কেয়ারটেকারের কাছেই থাকছে ইউভান। আরও পড়ুন : ফতুল্লা থানার মু’সলিম নগর এলাকায় প্রায় দেড় বছর ধরে একটি পরিবারের উপর অ’ত্যাচারের স্টিমরোলার চালাচ্ছে হোসনেআরা নামক এক অর্থলোভী না’রী।

জানা গেছে হোসনেআরা এবং তার অ’পকর্মের সহযোগীদের অ’ত্যাচারে মু’সলিম নগরের বাদশা মিয়ার পরিবার এখন রীতিমতো নড়ক যন্ত্রনা ভোগ করছে। হোসনেআরা বাদশা মিয়ার ছেলে মিজানূর রহমানকে ফাঁ’দে ফে’লে বিবাহ করতে বা’ধ্য করে।

পরে সে মিজানূর রহমানের সাথে ঘরসংসার করতে এসে পরিবারের টাকা পয়সা সরাতে থাকে। এ নিয়ে কিছু বললেই সে মিজানূর রহমানকে মা’রধোর করতো, এমনকি তার বৃ’দ্ধ মা বাবাকেও মা’রধোর করতো।

হোসনেআরা বাহিরে বহু পু’রুষের সাথে অ’বৈধ স’ম্পর্ক রাখতো। যখন তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতো এবং তার ইচ্ছে মতো বাড়িতে ফিরতো। ফলে তার অ’ত্যাচারে অ’তিষ্ঠ হয়ে মিজানূর রহমান তাকে ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর তালাক দেয়।

মিজানূর রহমানকে বিয়ে করার আগেও হোসনেআরার আরো একাধিক বিয়ে হয়েছিলো। তার প্রমান হোসনেআরার ‘তৈরী করা’ কাবিনেই রয়েছে। হোসনেআরা মিজানুরকে বিয়ে করার সময় একটি আবার বিয়ে পরে আরো একটি কাবিননামা সৃজন করেছে। দ্বিতীয় কাবিনে সে নিজেকে তালাকপ্রা’প্ত হিসাবে উল্লেখ করেছে।

এছাড়া সে মিজনূর রহমানকে দুই লাখ টাকার কাবিন লিখে বিয়ে করলেও এখন দশ লাখ টাকা দাবি করছে। তাকে তালাক দেয়ার পর সে এসে তাদের কাছে দশ লাখ টাকা দাবি করে এবং দশ লাখ টাকা দিলে সে তাদেরকে আর হয়রানী করবে না বলে জানায়। আর এই দাবিকৃত টাকা না দিলে এই ন’ষ্ট ম’হিলা তাদেরকে দেখে নেয়ার হু’মকি দেয় এবং শুরু করে তান্ডব। যখন তখন এসে বাড়িতে হা’মলা ভাং’চুর চা’লায়।

থানায়ও একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ করে তাদেরকে হয়রানী করে। তবে গত দেড় বছরে থানা পু’লিশ সবই জেনেছে। তাই যেহেতু তালাক হয়ে গেছে তাই পু’লিশ একাধিকবার চেষ্ঠা করেছে তাকে তার ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দিতে এবং তাকে সরে যেতে বলেছে।

এলাকার পঞ্চায়েতও তাকে বুঝানোর চেষ্ঠা করেছে। কিন্তু তালাক দেয়ার পর সে ওই গ্রামের মাসুম মিয়ার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আর এই মাসুম মিয়ার বাড়িতে থেকেই সে নীরিহ বাদশা মিয়ার বাড়িতে এসে তান্ডব চালাচ্ছে। তাই মাসুম মিয়া (৩৯) কেনো তাকে আশ্রয় দিলো এ নিয়ে গ্রামবাসীর মাঝে নানা গুঞ্জন রয়েছে।

সূত্রমতে জানা গেছে মিজানূর রহমানের সাথে বিয়ে হওয়ার আগে থেকেই এই হোসনেআরার সাথে মাসুম মিয়ার স’ম্পর্ক ছিলো। এক কথায় মা’দকা’শ’ক্ত এবং পর ধ’ন লোভী এই না’রী এখন এতোটাই বে’পরোয়া হয়ে উঠেছে যে গোটা মুসুলিম নগর সমাজটাই এখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পরেছে। সে ওই গ্রামের মুরব্বীদের কাউকে মানে না।

মানে না পঞ্চায়েত কমিটিকে। আর স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাঝে কোন্দল থাকার কারনে তারাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে কিছু বলছে না। এতে বদনাম হচ্ছে গ্রামেরও। তাই গ্রামের সাধারন মানুষ এখন নারায়ণগঞ্জের পু’লিশ সুপারের হ’স্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তারা মনে করেন নারায়ণগঞ্জের সন্মানিত পু’লিশ সুপার যেনো বাদশা মিয়ার এই অ’সহায় পরিবারটিকে যথাযথ আইনগত সহায়তা দেন। বাস্তবতা হলো বৃ’দ্ধ বাদশা মিয়া একটি চারতলা ভবনের মালিক।

বাড়ির নিচতলায় কাপড়ের দোকান দিয়ে ব্যবসা করেন তার ছেলে মিজানূর রহমান। মিজানূর রহমান কিছুটা সরল সহজ ও বোকা প্রকৃতির। তাই সহজেই সুন্দরী হোসনেআরা তাকে প্রেমের ফাঁ’দে ফে’লে বিয়ে করতে বা’ধ্য করে।

কিন্তু বিয়ের সময় সে নিজেকে কুমারী দাবি করে এবং দুই লাখ টাকা কাবিন করে বিয়ে করে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন তাদের মাঝে বি’রোধের সৃষ্টি হয় তখন সে মিজানূর রহমানকে ফুসলিয়ে তার পিতার বাড়ি ফরিদপুরে নিয়ে যায় এবং সেখানে নিয়ে তাকে আ’টকে রেখে মা’রধোর করে আরো একটি কাবিননামা লিখে।

সেই কাবিন নামায় পাঁচ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয় এবং নিজেকে আগে তালাকপ্রা’প্তা হিসাবে দাবি করে। তবে জ¦ালিয়াতির মাধ্যমে এই নতুন কাবিন নামা লিখেই সে ফেঁ’সে যায়। কারন আসল কাবিন নামাতে দুইজনেরই স্বাক্ষর রয়েছে।

প্রথম কাবিনে সে নিজেকে কুমারী হিসাবে দাবি করেছে এবং পরের কাবিনে তালাকপ্রা’প্ত হিসাবে দাবি করেছে। কিন্তু নতুন কাবিন নামাতে মিজানূর রহমানের কোনো স্বাক্ষর নেই। আর এখন দাবি করছে দশ লাখ টাকা।

মূ’লত এভাবেই নানা কায়দায় এই নীরিহ পরিবারটিকে নাজেহাল করে চলেছে মা’দকা’শ’ক্ত উম্মাদ হোসনেআরা। তাই বি’ষয়টি সুষ্ঠু ত’দন্তের মাধ্যমে পরিবারটিকে আই’নগত সহায়তা দানের জন্য পু’লিশ সুপারের প্রতি আহবান জানান ওই গ্রামের সাধারন মানুষ ও ওই পরিবারের সদস্যরা।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *