Home / লাইফস্টাইল / বড় হয়ে গেছে সেই ছোট্ট দীঘি, এবার সাজলেন বউ

বড় হয়ে গেছে সেই ছোট্ট দীঘি, এবার সাজলেন বউ

‘ঢালিউড কুইন’ খ্যাত চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। প্রায় একশ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। এদিকে শি’শুশিল্পী হিসেবে পর্দায় আগমন ঘটে প্রার্থনা ফারদিন দীঘির।

ক্যারিয়া’রের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি সিনেমায় একস’ঙ্গে অভিনয় করেন তারা। মাঝে দীর্ঘ সময় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন দীঘি। কিছুদিন আগে নায়িকা হিসেবে অভি’ষে’ক হয়েছে তার। দীর্ঘদিন পর আবারো একস’ঙ্গে কাজ করলেন অপু বিশ্বাস-দিঘী।

তবে কোনো চলচ্চিত্রে নয়, আহাম ফ্যাশন হাউজের বি’জ্ঞাপ’নে মডেল হয়েছেন তারা। বধূবেশে ক্যামেরাব’ন্দি হয়েছেন দুই প্রজ’ন্মের দুই শিল্পী। তাদের স’ঙ্গে রয়েছেন মডেল বারিশ হক। তারই একটি ছবি প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস।

আহাম ফ্যাশন হাউজের ব্রাইডাল শুটের জন্য বধূ সেজেছেন অপু-দীঘি। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর বারিধারায় আহাম কার্যালয়ে গৌতম সাহার কোরিওগ্রাফিতে ফটোশুটে অংশ নেন তারা।

অপু বিশ্বাস বলেন, ‘ছোট্ট সেই দীঘি এখন অনেক বড় হয়েছে। আমরা একস’ঙ্গে সিনেমায় কাজ করেছি। দীর্ঘদিন পর আবার একস’ঙ্গে কাজ করলাম। আহাম নামের ফ্যাশন হাউজে আমরা একটি ব্রাইডাল শুট করেছি।

স্বা;স্থ্যবি;ধি মেনেই ফটোশু’ট করেছি। বেশ ভালো শু’ট’ হয়েছে। অন্যদিকে দীঘি বলেন, ‘ভারত থেকে ফিরেই আহাম ফ্যাশন হাউজের ফ’টোশু’ট করলাম। আহামের পোশাকগুলোও সুন্দর। ছবিগুলো দারুণ হয়েছে।’

আহামের কর্ণধার জীবন বলেন, ‘লকডাউনের মধ্যে পুরোপরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে শু’ট করেছিল। খুব ভিড় রাখিনি। ঈদকে সামনে রেখে রোজার মধ্যেই যমুনা ফিউচার পার্কে ‘আহাম’ ফ্যাশন হাউজের শোরুম ওপেন করব।’

না’রী সেজে যুবককে বিয়ে, অতঃপর…
টাঙ্গাইলের সখীপুরে না’রী সেজে এক যুবককে বিয়ে করেছেন আলতাফ আলী (৩৫) নামের এক ভণ্ড কবিরাজ। এ নিয়ে এলাকায় তুলকালাম সৃষ্টি হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে গণধো’লাই দিয়ে এলাকাছাড়া করে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) উপজে’লার দাড়িয়াপুর ফালু চাঁনের মাজারপাড় এলাকায় এ ঘ’টনা ঘটে। বি’ষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে উ’ত্তেজনা দেখা দিলে বর জুবায়ের হোসেন (২৫) বাড়ি থেকে পা’লিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিনমাস আগে ঘাটাইল উপজে’লার জামুরিয়া গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আলতাফ আলী (৩৫) নিজেকে কবিরাজ পরিচয় দিয়ে দাড়িয়াপুর মাজারপাড় এলাকায় আসে। ওই কবিরাজ মাঝে মধ্যে শাড়ি পরেও এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। তিনি স’ন্তানহীন না’রীদের স’ন্তান দানের ঝাড়ফুঁক দেওয়ার কথা বলে গত তিনমাস ধরে বিভিন্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এরই মধ্যে ওই এলাকার কৃষক রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হোসেনের স’ঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। জুবায়ের ও তার পরিবারকে কবিরাজ আলতাফ আলী টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বলেন- ‘আমি রাত ১২টার পর মে’য়ে মানুষে রূপান্তরিত হব, আমাকে বিয়ে করলে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হবেন।’ গত ১৩ এপ্রিল রাতে জুবায়ের ও কবিরাজ আলতাফের সম্মতিতেই তাদের বিয়ের প্রস্তুতি চলে।

লোভে পড়ে জুবায়েরের পরিবারেরও সম্মতি ছিল বলে জানা গেছে। বুধবার সকালে এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা উ’ত্তেজিত হয়ে ওই কবিরাজকে ধরে এনে গণধো’লাই দেয়। পরে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ, সাবেক চেয়ারম্যান শাইফুল ইসলাম শামীম, সানোয়ার হোসেন মাস্টার ঘ’টনাস্থলে পৌঁছে তাকে উ’দ্ধার করেন। স্থানীয়রা দাবি করেন, দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের কাজী মাসুদ রানা এক লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে পড়িয়েছেন।

এ বি’ষয়ে জানতে কাজী মাসুদ রানার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, একটি বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে হবে বলে আমাকে ওই এলাকায় যেতে বলা হয়েছিল। ওই বাড়িতে গিয়ে মে’য়ের (পাত্রীর) জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে বলি। পরিচয়পত্র দিতে না পারায় আমি স’ঙ্গে স’ঙ্গে ফিরে এসেছি। রেজিস্ট্রি বা বিয়ে পড়ানোর তো কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *