Home / লাইফস্টাইল / মাত্র ৯ ব’ছরে হা’ফেজ হলো এই ২ শি’শু

মাত্র ৯ ব’ছরে হা’ফেজ হলো এই ২ শি’শু

পৃ’থি’বীতে যত ধর্মগ্রন্থ আছে তন্মধ্যে কেবল কোরআনই মু’খ’স্থ করা হয়।তাই পৃ’থি’বী’তে অ’সং’খ্য অগণিত কোরআনের হা’ফে’জ বিদ্যমান।আরও আ’শ্চর্যের বি’ষয় হলো-কোরআন হে’ফ’জ করার সময়।কেউ এই মহাগ্রন্থ এত অল্প স’ম’য়ে মুখস্থ করে ফে’লে যে,তার রীতিমতো বি’স্ম”য়ের বি’ষয় হয়ে দাঁড়ায়।সম্প্রতি এমনি বিস্ময় সৃষ্টি করে ৯ ব’ছ’র ব’য়সে পবি’ত্র কোরআন হিফজ(মুখস্থ) ক’রে’ছে দুই শি’শু।

শা’রীরিকভাবে দু’র্বল ও অ’সুস্থ একটি ছেলে মাত্র ২ মাস ৫ দিনে পুরো কো’র’আ’ন মু’খ’স্থ ক’রে’ছে হাফেজ খেতাব অর্জন করেছে।এই কী’র্তি’মান হা’ফে’জ ঝিনাইদহের কো’ট’চাঁ’দ’পুর কওমি কেরাতুল মা’দ’রা’সা’র শিক্ষার্থী।৯ বছর ব’য়সী এই কৃতি ছাত্রের নাম আহমাদ তাইমিয়া।সে কো’ট’চাঁ’দ’পু’র উপজে’লার বা’লি’য়া’ডা’ঙ্গা গ্রা’মে’র আসলাম হো’সেনের ছেলে। এমন মেধাবী শি’শু কীর্তি নিয়ে এ’লা’কায় চলছে তুমুল আ’লো’চ’না।

অনেকে এই শি’শু হা’ফে’জে কোরআনকে দে’খ’তেও আ’স’ছে’ন।অল্পসময়ে কোরআন মুখস্থ করা প্রস’ঙ্গে কোটচাঁদপুর কওমি কেরাতুল মাদরাসার পরিচালক মুফতি ই’ব’রাহিম খলিল জা’না’ন,২ বছর আগে শি’শু তাইমিয়া এই মা’দ’রা’সা’য় ভর্তি হয়।সেখানে নার্সারি ও প্র’থ’ম শ্রে’ণি শেষ করে।এ’র প’র গ’ত ব’ছ’রে’র জু’লাই মাসে কোরআনে কারিম পড়া শুরু করে।

প্র’থমে সহিহ-শু’দ্ধ’ভা’বে দেখে দেখে কো’র’আন তেলাওয়াত শেখা শেষে কো’র’আ’ন শ’রিফ মুখস্ত শুরু করে শুরু করে।গত ১৯ জা’নু’য়ারি তার ৩০ পাড়া কো’র’আ’ন মু’খ’স্ত শেষ হয়।মাদরাসার পরীক্ষা,ছুটি বাদ দিয়ে মাত্র ৬৫ দিনে তাইমিয়া কোরআনে কারিমের হাফেজ হয়েছেন।

৩০ ফুট উঁচু একটি খেজুরগাছের মাথায় উঠে নামাজ আদায় করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি

রাজশাহী: রাজশাহীর তানোর উপজে’লায় ৩০ ফুট উঁচু একটি খেজুরগাছের মাথায় উঠে নামাজ আদায় করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন এক যুবক। তার নাম আব্দুর রহিম (২৮)।সোমবার বিকালে উপজে’লার কুঠিপাড়া গ্রামে ওই যুবক নামাজ আদায় করেন। নামাজপড়া শেষে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গাছে উঁচিয়ে শহিদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন তিনি। রহিমের নামাজ আদা’য়ের সময় এলাকার শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য দেখেন।

আব্দুর রহিম মোহনপুর উপজে’লার মৌগাছি গ্রামের বাসিন্দা। জানা যায়, আব্দুর রহিম নামাজ আদায় ছাড়াও উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে কিছু কথাও বলেন। এর পর শা’রীরিক কিছু কসরত দেখিয়ে গাছ থেকে নেমে পড়েন।

এলাকাবাসী বলেন, আব্দুর রহিম নিয়মিত নামাজ পড়েন। তিনি কবিরাজি বা ঝাড়ফুঁক করেন। রহিম খেজুরগাছের ও’পর নামাজ পড়ে সেখানে শা’রীরিক কসরতও দেখান। খেজুরগাছসহ বিভিন্ন গাছে উঠে মাঝেমধ্যে উনি নামাজ পড়েন এবং গাছের ও’পরেই খেলাধুলা দেখান। ছোট থেকে রহিম এসব করেন।

এদিকে নামাজ শেষে খেজুরগাছ থেকে নেমে আব্দুর রহিম বলেন, জীবনের ঝুঁ’কি নিয়ে খেজুরসহ বিভিন্ন গাছে উঠে খেলাধুলা দেখাই। তবে তার আগে আমি আল্লাহকে সন্তুষ্ট রাখতে গাছের ও’পরে দুই রাকাত নামাজ আদায় করি। কিছু খেলাধুলাও করি। এসব দেখে মানুষ কিছু টাকাপয়সা দেন। তা দিয়ে সংসার চালাই।

তিনি আরও জানান, তার জ’ন্ম বগুড়ায়। তবে রাজশাহীর মোহনপুরে এসে বিয়ে করে তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে সেখানেই বসবাস করছেন।

এভাবে খেজুরগাছের ও’পর উঠে নামাজ আদা’য়ের বিশেষ কোনো ফজিলত বা ধর্মীয় ফায়দা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে রাজশাহীর বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক ড. সাখাওয়াত হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, এসব বিশেষ পাগ’লামি ছাড়া আর কিছুই নয়। খেজুরগাছে উঠে নামাজ আদা’য়ের কোনো দৃষ্টান্ত বা এর বিশেষ ফজিলতের কথা ইসলামের কোনো বিধিবিধানে নেই।

বেশি ফজিলতের জন্য ইসলামের বহু হাদিসে বিভিন্ন ইবাদতের কথা বলা আছে। সেগুলো সহি কায়দায় আমল করতে পারেন যে কেউ। আল্লাহপাক তাতে খুশি হবেন।

এদিকে শুধু আব্দুর রহিমই নয়, এর আগে ২০১৪ সালে ২ নভেম্বর রাজশাহীর বাগমা’রার আক্কেলপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন মোজাম (৩৪) উঁচু খেজুরগাছে উঠে নামাজ পড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছিলেন। তিনি দুর্গাপুর ম’হিলা কলেজের পার্শ্ববর্তী একটি উঁচু খেজুরগাছে উঠে চার রাকাত নফল নামাজ পড়েন।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *