Home / লাইফস্টাইল / সতীর্থদের অনলাইন ও অফলাইনে কুরআন শেখান জাতীয় দলের নারী ক্রিকেটার জাহানারা

সতীর্থদের অনলাইন ও অফলাইনে কুরআন শেখান জাতীয় দলের নারী ক্রিকেটার জাহানারা

জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি ও দলের সঙ্গে ম্যাচ-পরবর্তী টুকটাক আলোচনা শেষে নিজের রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার জাহানারা আলম। একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন।
সাক্ষাৎকারের মাঝেই হাজির হন এক সতীর্থ খেলোয়াড়।

ফোনের ওপাশ থেকে শোনা গেল, ‘আপু কখন পড়াবেন?’ কৌতূহলী মনে প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশ গেমসের ক্রিকেট ইভেন্টে খেলতে গিয়ে পড়ালেখার প্রসঙ্গ আসছে কেন? ‘জাহানারাকে কী পড়ানোর কথা বললেন সেই সতীর্থ? অনুমতি নিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়ার পর, শুরুতে খানিক ইতস্তত করলেন জাহানারা আলম।

পরে খুলে বলেন, ‘পড়ানো’র বিষয়টি। তিনি মূলত সতীর্থ খেলোয়াড়দের কুরআন তিলাওয়াত শেখান। ম্যাচের পর হোটেলে ফিরে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করেন তারা কয়েকজন। ওই সময়টা জানতেই জাহানারার কাছে এসেছিলেন সেই সতীর্থ খেলোয়াড়।

জাহানারা জানান, দলের মধ্যে যাদের আগ্রহ আছে, তাদের সবাইকেই কোরআন তিলাওয়াত শেখান তিনি।

তার কথা, ‘আমি আসলে আমার সতীর্থদের কোরআন পড়াই। সিনিয়র-জুনিয়র যাদেরই আগ্রহ আছে, যারা ইচ্ছুক…, তাদের সবাইকেই পড়াই। আমি নিজে নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করি। আমি চাই তারাও কোরআন পড়ুক, নামাজ পড়ুক পাঁচ ওয়াক্ত। এজন্য আরকি, আমি এটা
করি।

ব্রিটেনে শিক্ষিত তরুণীরা ব্যাপক সংখ্যায় ইসলাম গ্রহণের দিকে ঝুঁকছে

দিনে দিনে ইংল্যান্ডজুড়ে শিক্ষিত তরুণীদের মাঝে ইসলাম গ্রহণের প্রবণতা ব্যাপক বৃ’দ্ধি পাচ্ছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন না’রীরা। গত দশ বছরে যুক্তরাজ্যে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে না’রীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

ব্রিটিশ সংস্থা ‘ফেথ ম্যাটার্স’র সাম্প্রতিক এক জরিপে এ ত’থ্য উঠে এসেছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করা এই সংস্থার জরিপে উঠে এসেছে, যারা অন্য ধর্ম থেকে মু’সলিম হয়েছে তাদের কারো ব’য়সই ২৭ বছরের বেশি নয়।

এদের মধ্যে মে’য়েদের সংখ্যা ৬২ শতাংশ,ইসলাম গ্রহণ করা যুক্তরাজ্যের লিস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শিক্ষার্থী ফ্রাঞ্চেসকা বলেন, ‘আমি বিশেষ কোনো ধর্মের সন্ধান করছিলাম না। ইসলাম ধর্ম সম্প’র্কেও বিশেষ কোনো ধারণা আমার ছিল না। আমি ইসলাম ধর্ম সম্প’র্কে জানতে পারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পরিচিত হই বেশ কিছু মু’সলমান শিক্ষার্থীর স’ঙ্গে। তখনই প্রথম আমি জানতে পারি ইসলাম ধর্ম সম্প’র্কে, ধর্মের বিভিন্ন দিক সম্প’র্কে।

সবাই যেভাবে কথা বলে, আরেকজনের স’ঙ্গে মেশে, তা দেখে আমি অভিভূত হই। বিশেষ করে ছেলেরা অত্যন্ত অমায়িক এবং তারা মে’য়েদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে।’

ফ্রাঞ্চেসকা এগুলো দেখে ইসলামের প্রতি আ’গ্রহী হন এবং ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ‘ফেথ ম্যাটার্স’র জরিপ অনুযায়ী যুক্তরাজ্যে গত বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে।

ইসলাম ধর্ম নিয়ে এত বিতর্কের পরও কীভাবে এই ধর্মের প্রতি মানুষ আ’গ্রহী হয়?-সেটাই ভাবাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বকে। শ্বেতাঙ্গ মে’য়েদের মধ্যে খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার প্রবণতা বৃ’দ্ধি পাওয়ায় রক্ষণশীলদের মধ্যে চিন্তার প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এক সূত্র মতে, ‘বর্তমানে ইসলাম গ্রহণ করছে আরও বেশি মানুষ এবং তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ম’হিলা। আগে দেখা যেত, বিবা’হিত ম’হিলারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে।

কারণ স্বা’মী মু’সলমান। অথচ এখন অবিবা’হিত মে’য়েরাই এগিয়ে আসছে।’
শিক্ষিত এবং অবিবা’হিতরা ইসলাম গ্রহণে এগিয়ে আসায় এটা নিশ্চিত হয়েছে যে, নির্ভরতা নয় বরং সচেতনভাবেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে তারা।

তবে সামাজিক সমস্যা এখনো রয়েছে। যে সব মে’য়েরা ইসলাম গ্রহণ করেছে, তারা তাদের পরিবার বা বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে সরে গেছে। সূত্র : আরাবিয়ান বাংলা

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *