Home / লাইফস্টাইল / সবুজ শাড়ি ম্যাচিং ব্লাউজে অসাধারন নাচ সুন্দরী তরুণীর, নেটদুনিয়ায় প্রশংসার ঝড় [ভিডিও]

সবুজ শাড়ি ম্যাচিং ব্লাউজে অসাধারন নাচ সুন্দরী তরুণীর, নেটদুনিয়ায় প্রশংসার ঝড় [ভিডিও]

বর্তমান প্রজ’ন্মের কাছে সোশ্যাল মিডিয়া যে কত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে তার আলাদা করে বলে দিতে হয় না। কেবল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবেই নয় বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরা যায় পৃথিবীর আনাচে-কানাচে।

শিল্প ও শিল্পী আত্মপ্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে এটি। নাচ-গান প্রভৃতির মাধ্যমে শিল্পনৈপুণ্যের নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে বি’ষয়ের প্রতি দক্ষ’তা যেমন দেখতে পাওয়া যায় তেমন কিছু ক্ষেত্রে প্রাধান্যতা পায় উপভোগ্যতা। বিশেষ করে নাচের কথা যদি বলা হয় তাহলে নাচ এমন এক ধরনের শিল্প যা মনের পাশাপাশি শ’রীরকে সুস্থ রাখে। তাইতো সোশ্যাল মিডিয়ায় হামশাই নানান নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম একটি নাচের ভিডিও জনতাদের নজর কে’ড়েছে। ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে এক যুবতী শাড়ীর সাথে বলিউডি গানের তালে নাচ করছে। তবে নাচের স্টেপের চেয়েও তার মিষ্টি এক্সপ্রেশন নজর কে’ড়েছে সকলের। গানে প্রতিটি লাইনের সাথে যেভাবে সে অভিনয় করেছে সেটাই আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর মানুষ অ’শ্লীলতার মাধ্যমে ভাইরাল হতে চাই সেখানে এই যুবতী প্রমান করে দিয়েছে যে প্রতিভাবান মানুষদের কোনো অ’শ্লীলতার প্রয়োজন হয় না। তার এই ভিডিওটি পোস্ট হতেই ভাইরাল হয়েছে। প্রচুর মানুষ মে’য়েটির প্রশংসা করেছেন।

মেডিকেলে চান্স পেয়েও ভর্তি অনিশ্চিত মুন্নীর

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মেধাক্রমে ৩১১০তম হয়ে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ দিনাজপুরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন সুজানগরের হতদরিদ্র ভ্যানচালকের মে’য়ে মোছা. জান্নাতুম মৌমিতা মুন্নী। তিনি পাবনা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন।ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে তিনি পেয়েছেন ৬৯.৭৫ নম্বর।

শিক্ষা জীবনজুড়েই আর্থিক দুশ্চিন্তা ছিল মুন্নীর নিত্যস’ঙ্গী। মেধার জো’রে সব বা’ধা জয় করে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পেলেও আবার সেই আর্থিক দুশ্চিন্তাই তাকে ঘিরে ধরেছে।ভর্তির সুযোগ পেলেও বড় বা’ধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। কোথায় পাবেন অর্থ, কে দেবেন অর্থের জোগান- এ শঙ্কায় দিন কাটছে দরিদ্র পরিবারের মে’য়ে মুন্নীর।

বাড়িতে রয়েছে একটি ছোট টিনের ঘর। সেই একটি ঘরেই থাকেন পরিবারের সবাই। পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় মুন্নীর পিতার।
মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ার খরচ জোগানোর সামর্থ্য তার পিতার নেই।

মুন্নীর পিতা বাকীবিল্লাহ বলেন, ব্র্যাকের স্থানীয় শাখা থেকে ২০ হাজার টাকা লোন নিয়ে একটি ভ্যান ক্রয় করি। সেই ভ্যান চা’লিয়ে দিনে যে দুই-তিনশত টাকা আয় হয় সেই টাকা দিয়েই কোনোরকম ক’ষ্টে পরিবারের ৬ জনের মুখের আহার তুলে দেওয়াসহ সংসারের অন্যান্য খরচ চালাতে হয়।

তাই সংসার চা’লানো যেখানে দায়, সেখানে মে’য়ের মেডিকেলে লেখাপড়ার খরচ চা’লানো আমার কাছে দুঃস্বপ্ন। তবে স্বপ্ন দেখি আমার মে’য়ে ডাক্তার হবে। কিন্তু টাকার অভাবে মে’য়েকে ভর্তি করাতে পারবো কিনা জানি না।

মুন্নী ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী, সে পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং পাবনা স’রকারি এডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

ছোট থেকেই তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন পূরণের জন্য তিনি অধিকাংশ সময়ই লেখাপড়ার পিছনে ব্যয় করেছেন। স্বপ্ন পূরণের এতো কাছে এসেও টাকার অভাবে স্বপ্ন ভে’ঙে যাবে তা মেনে নিতে পারছেন না মুন্নী।

মুন্নী জানান, স্কুল-কলেজে পড়াশুনার সময় অর্থের অভাবে একস’ঙ্গে প্রয়োজনীয় সব বই কিনতে পারতাম না। একটা একটা করে বই কিনতাম। মন চাইলে একটা ভালো পোশাক কিনতে পারতাম না। কারণ আমার জ’ন্ম গরিবের ঘরে।

মা-বাবা খুশি হয়ে যা কিনে দিতেন, আমি তাতেই খুশি থাকতাম। স্কুল ও কলেজে পড়াশুনা করা অবস্থায় বিভিন্ন দিক দিয়ে সহযোগিতা করেছেন স্থানীয় নাছির স্যার। আর এজন্য স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

এমনকি পাবনায় যেখানে থেকে তিনি এইচএসসি পাস করেছেন সেই বড়বাড়ি ছাত্রীনিবাসের মালিক ইমরান হোসেন ভাইও দরিদ্র পরিবারের স’ন্তান হওয়ায় আমার কাছ থেকে ২ বছর রুমের কোনো ভাড়া নেননি।

মুন্নী আরও বলেন, মেডিকেলে চান্স পাওয়ার পর এখন খুব চিন্তা হচ্ছে। মেডিকেলের বইয়ের দাম বেশি। দিনাজপুরে পড়াশুনা করতে গিয়ে সেখানে থাকা-খাওয়াসহ অনেক খরচ হবে। এত টাকা আমার হতদরিদ্র বাবা কোথায় পাবে?

কীভাবে পড়ালেখার খরচ চালাব বুঝতে পারছি না। আমার বাবার পক্ষে সেই খরচ চা’লানো সম্ভব না। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি আকুল আবেদন জানাচ্ছি, তিনি যেন আমার লেখাপড়া চা’লানোর দায়িত্ব নেন।

সবার সহযোগিতায় পড়াশুনা সম্পন্ন করে ভালো একজন চিকিৎসক হয়ে দেশ ও দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য সারাজীবন কাজ করে যেতে চান মুন্নী।পোড়াডাঙ্গা হাজী এজেম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন,

১৯৮৪ সালে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলেও বিগত ৩৬ বছরে এই বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী স’রকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায়নি। কিন্তু এবারে দরিদ্র পরিবারের এই অত্যন্ত মেধাবী মে’য়ে মুন্নী সে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। সে আমাদের বিদ্যালয়সহ ইউনিয়নবাসীর মুখ উজ্জ্বল করেছে।

তিনি আরো জানান, মুন্নী দরিদ্র পরিবারের স’ন্তান হলেও সে অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্রী। প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবানরা নজর দিলে মুন্নীর ডাক্তারি পড়া আ’টকাবে না।

About admin

Check Also

আবু ত্ব-হার মায়ের কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি

ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান ১০ জুন থেকে নিখোঁজ। সঙ্গে রয়েছেন তার সফরসঙ্গী আব্দুল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *